Logo

খোঁজ করুন

পাঠক

অনলাইনে আছেন ৫ জন
আজকের পাঠক ৩ জন
সর্বমোট পাঠক ১৪৩৯৭১ জন
সূরা পাঠ হয়েছে ১৩৫৪৩৪ বার
+ - R Print

সূরা কিয়ামত

সূরা কিয়ামত বা পুণরুত্থান - ৭৫

৪০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী
[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]

ভূমিকা ও সার সংক্ষেপ : এই সূরাটিও প্রাথমিক মক্কী সূরা। তবে পূর্বের সূরা দুটি অবতীর্ণ হওয়ার বেশ পরে এটি অবতীর্ণ হয়।

এই সূরার বিষয়বস্তু হচ্ছে মৃত্যুর পরে পুণরুত্থান। পুণরুত্থানের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে সেই সব লোকদের মনঃস্তাত্বিক ইতিহাস যাদের বর্তমানে বা ভবিষ্যতে কখনই সংশোধন করা সম্ভব নয়।


সূরা কিয়ামত বা পুণরুত্থান - ৭৫

৪০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী
[দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]

১। আমি শপথ করছি কেয়ামত দিবসের ৫৮০৯।

৫৮০৯। দেখুন [ ৭০ : ৪ ] আয়াত ও টিকা ৫৭০০। এই আয়াত ও পরবর্তী আয়াতে দুটো বিষয়ের প্রতি মনোযোগের সাথে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।

১) কেয়ামত দিবস - যে দিবসে পৃথিবীর সকল কাজের হিসাব গ্রহণ করা হবে; পাপীরা পুণরুত্থান দিবসে তাদের উপযুক্ত প্রতিদান লাভ করবে।

২) প্রতিটি মানুষের মাঝে বিবেক বিদ্যমান যে বিবেক তাকে তার পাপের দরুণ ভৎর্সনা করবে যদি না সে সেই বিবেককে অবদমিত করে রাখে।

২। এবং শপথ করছি আত্ম-ভৎর্সনাকারী আত্মার ৫৮১০।

৫৮১০। জ্ঞানী ব্যক্তিরা আত্মার বিকাশকে তিনটি ধাপে বর্ণনা করেছেন।

১) 'Ammara' [ ১২ : ৫৩ ] - এ অবস্থায় আত্মার পাপের প্রতি আসক্তি প্রবল থাকে। যদি তা প্রতিরোধ করা না হয় এবং নিয়ন্ত্রিত করা না হয়, তবে সে সব আত্মার ধ্বংস অবশ্যম্ভবী।

২) 'lawwana' - এ অবস্থা প্রাপ্ত আত্মারা নিজের মাঝে বিবেকের পীড়ন অনুভব করে, ফলে তারা পাপকে প্রতিহত করে এবং আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে,অনুতাপের মাধ্যমে এবং আল্লাহ্‌র করুণা ও দয়ার প্রার্থী হয়। এ সব আত্মা মুক্তি লাভে সক্ষম।

৩) 'Mutmainna' [ ৮৯ : ২৭ ] - এটা হচ্ছে আত্মিক উন্নতির সর্বোচ্চ ধাপ। যে এই ধাপে পৌঁছাতে সক্ষম হন তাঁর জন্য আছে অপার শান্তি ও বিশ্রাম। আত্মার বিকাশের দ্বিতীয় ধাপকে বলা যায় আত্মার মাঝে বিবেকের প্রকাশ। যদিও ইংরেজীতে বিবেক অর্থ করা হয় মনের এক বিশেষ দক্ষতা বা অবস্থা - তারা বিবেককে আত্মিক বিকাশের ধাপ হিসেবে পরিগণিত করতে সম্মত নয়।

৩। মানুষ কি মনে করে যে, আমি তার অস্থিসমুহ একত্র করতে পারবো না। ৫৮১১

৫৮১১। অবিশ্বাসীরা সাধারণতঃ মৃত্যু পরবর্তী জীবনে বিশ্বাসী নয়। সুতারাং তারা বলে যে, " যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব ?" [ ১৭ : ৪৯]। এই বক্তব্য থেকে আল্লাহ্‌র ক্ষমতার প্রতি অবিশ্বাস সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয়। তাদের এই জিজ্ঞাসার একটাই উত্তর আর তা হচ্ছে : আল্লাহ্‌ সে ভাবেই আমাদের বলেছেন এবং তিনি তা করবেন। মৃত্যুই মনুষ্য জন্মের শেষ কথা নয়।

৪। বস্তুত আমি তাদের অঙ্গুলির অগ্রভাগ পর্যন্ত পুণর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম। ৫৮১২

১২। " অঙ্গুলির অগ্রভাগ পর্যন্ত " এই বাক্যটি দ্বারা বুঝাতে চাওয়া হয়েছে যে, শরীরের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জটিল অংশেরও পুণঃসৃষ্টি আল্লাহ্‌র পক্ষে সম্ভব।

৫। তুবও মানুষ পাপ করতে চায়, [ এমনকি ] ভবিষ্যতেও ৫৮১৩,

৫৮১৩। "এমন কি ভবিষ্যতেও " এই বাক্যটি দ্বারা যে মৃত্যু ও কেয়ামতকে বিশ্বাস করে না সে তার অতীত পাপের জন্য অনুতাপ করবে না। যে সব পাপী কেয়ামত দিবসকে অস্বীকার করে, বুঝতে হবে তাদের মাঝে বিবেক অনুপস্থিত, সুতারাং তারা তাদের পাপের পথে চলতে বদ্ধ পরিকর যা তাদের ভবিষ্যতকে অন্ধকারে নিক্ষেপ করবে।

৬। সে জিজ্ঞাসা করে পুণরুত্থানের দিন কবে আসবে ? " ৫৮১৪

৫৮১৪। প্রশ্নটি হচ্ছে উপহাসমূলক এবং এর মাধ্যমে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। কাফেররা বিশ্বাস করে না পরলোকের জবাবদিহিতায়। প্রকৃত পক্ষে তারা পরলোকের অনন্ত জীবনে বিশ্বাসী নয়। তারা বিশ্বাস করে যে মৃত্যুই জীবনের শেষ পরিসমাপ্তি।

৭। অবশেষে, যখন চক্ষু স্থির হয়ে যাবে ৫৮১৫;

৫৮১৫। শেষ বিচারের দিনের ছবি এই আয়াতে আঁকা হয়েছে, সেদিন আল্লাহ্‌র মহিমা ও নূরের ছটায় সারা বিশ্ব ব্রহ্মান্ড আলোকিত হয়ে পড়বে। সেই অত্যুজ্জ্বল আলোর তীব্রতা এতটাই প্রখর হবে যে, সাধারণ মানুষের চোখ সে আলোতে ধাঁধিয়ে যাবে। বর্তমানের চেনা পৃথিবী ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে অদৃশ্য হয়ে যাবে এবং নূতন পৃথিবীর সৃষ্টি হবে। দেখুন সূরা [ ২৪ : ৪৮]।

৮। এবং চাঁদ অন্ধকারে ডুবে যাবে ৫৮১৬, -

৫৮১৬। সে দিন সেই আলোতে শুধু যে মানুষের চক্ষু ধাঁধিঁয়ে যাবে তাই-ই নয়, চাঁদের আলোও অন্তর্হিত হয়ে পড়বে। চাঁদ সেদিন তার আলোর উৎস বঞ্চিত হয়ে যাবে ফলে সে পৃথিবীতে আলো প্রতিফলিত করতে অক্ষম হবে। ঠিক সেরূপ অনন্ত সত্য ব্যতীত - যে সত্য ভ্রান্ত, সে সত্য চাঁদের আলোর ন্যায় প্রতিফলিত সত্য অর্থাৎ যার কোন প্রকৃত ভিত্তি নাই তা সব অন্তর্হিত হয়ে পড়বে এবং প্রকৃত বা অনন্ত সত্যের রূপ বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে জুড়ে বিরাজ করবে।

৯। সূর্য এবং চন্দ্র একত্রে মিলিত হবে ৫৮১৭,

৫৮১৭। চন্দ্রের নিকট সূর্য হচ্ছে আলোর উৎস। কিন্তু প্রকৃত সত্য হচ্ছে যে, সূর্যের আলোকেও সৃষ্টি করা হয়েছে। কেয়ামত দিবসে শুধু যে চাঁদই তার আলো হারিয়ে ফেলবে তাই-ই নয়, সূর্যও তার আলো হারিয়ে ফেলবে। সূর্য চন্দ্র প্রত্যেকেই হবে বৈশিষ্ট্যহীন,নিস্প্রভ, শূন্য, যাদের আলো নিভিয়ে দেয়া হয়েছে, যাদের অত্যুজ্জ্বল আলোর বন্যা শেষ করে দেয়া হয়েছে। কারণ আল্লাহ্‌র নূরের অত্যুজ্জ্বল বন্যায় সর্বদিক উদ্ভাসিত থাকবে সেই নূতন পৃথিবীতে। দেখুন [ ৩৯ : ৬৯ ] আয়াতের টিকা ৪৩৪৪।

১০। সেদিন মানুষ বলবে, " [ আজ ] আশ্রয় কোথায় ? "

১১। না কোন নিরাপদ আশ্রয়স্থল নাই !

১২। সেদিন [ একমাত্র ] তোমার প্রভুর নিকট থাকবে বিশ্রামের স্থান।

১৩। সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে [ যা কিছু ] সে অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং যা কিছু সে পিছনে রেখে এসেছে ৫৮১৮।

৫৮১৮। ভালো-মন্দ, পাপ-পূণ্য, কোনও কাজই মহাকালের খাতায় হারিয়ে যায় না। মানুষের প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য সকল পাপ, মানুষ ভালো বা মন্দ যে কাজই করুক না কেন, সবই তাৎক্ষনিক ভাবে আল্লাহ্‌র নিকট নীত হয়। পৃথিবীতে মানুষ ভালো যা গ্রহণ করে, মন্দ যা প্রতিহত করে, তাঁর চিন্তা ও চেতনার জগতে যা সে ধারণ করে বা প্রতিফলিত করে বা ত্যাগ করে সবই মহাকালের খাতায় মানুষের পরলোকে গমনের বহু পূর্বেই ধারণ করা হয়ে থাকে।

১৪। বরং মানুষ নিজেই নিজের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য দেবে, ৫৮১৯

১৫। যদিও সে নানা অজুহাতের অবতারণা করে।

৫৮১৯। দেখুন সূরা [ ২৪ : ২৪ ] আয়াত ও টিকা ২৯৭৬। যেখানে বলা হয়েছে, " যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহ্বা, তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা করতো।" প্রতিটি মানুষের দ্বৈত সত্ত্বা বিদ্যমান। একটি সত্ত্বা তার বিবেক যা তাকে সত্য ও ন্যায়ের পথে সর্বদা আহ্বান করে ও পাপ কাজে বিরত রাখতে চেষ্টা করে। অন্য সত্ত্বা পাপের পথে প্রলোভিত করে এটা হচ্ছে ব্যক্তির অন্ধকার সত্ত্বা। সুতারাং ভালো মন্দ সকল কাজের প্রমাণ মানুষ নিজেই। মানুষ নিজেই নিজের সম্বন্ধে সম্যক অবগত বা প্রমাণ স্বরূপ। পৃথিবীতে পাপীদের বিবেক থাকে অর্দ্ধমৃত অবস্থায় ; পাপের প্রচন্ড চাপে বিবেক থাকে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে। কিন্তু কেয়ামত দিবসের চিত্র হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। মানুষ তার কৃত পাপ কর্মকে অস্বীকার করলেও, বিবেক সেদিন হবে জাগ্রত ও শক্তিশালী। এই বিবেকের অনুশাসনে পাপীদের নিজস্ব অংগ প্রত্যঙ্গ যার মাধ্যমে সে পাপ কার্য সমাধা করেছে তারা পৃথিবীর পাপ কার্যের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপিত হবে। মানুষ নিজের সম্বন্ধে কি বলে, বা অন্যে তার সম্বন্ধে কি ধারণা করে তার দ্বারা তার বিচার হবে না তার বিচার হবে প্রকৃতপক্ষে সে কিভাবে নিজেকে পৃথিবীর জীবনে প্রতিষ্ঠিত করেছে প্রকাশ্যে বা গোপনে যে ভাবেই হোক না কেন, তারই প্রেক্ষাপটে। অর্থাৎ মানুষ হিসেবে প্রকৃতপক্ষে সে কি ছিলো সেটাই হবে তার বিচারের বিবেচ্য বিষয়। আর এ ব্যাপারে সর্বাপেক্ষা প্রধান সাক্ষী হবে সে নিজে অর্থাৎ তার বিবেক বা ব্যক্তিত্ব যা তার প্রতিটি পাপ কাজের বিরুদ্ধাচারণ করবে ও নিন্দা জ্ঞাপন করবে।

১৬। [ হে মুহম্মদ ] তাড়াতাড়ি [ কুর-আনকে ] আয়ত্ত করার জন্য তোমার জিহ্বা তাহার [ জিব্রাইলের ] সাথে নাড়িও না। ৫৮২০

১৭। ইহা সংরক্ষণ ও পাঠ করাইবার দায়িত্ব আমারই ;

১৮। অতএব, যখন আমি তা পাঠ করি, তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর,

১৯। উপরন্তু এর ব্যাখ্যার [ ও বুঝানোর ] দায়িত্ব আমারই।

৫৮২০। এ পর্যন্ত কেয়ামত পরিস্থিতির ভয়াবহতা আলোচিত হলো। পরেও আলোচনা আসবে। মাঝ খানে চার আয়াতে রাসুলুল্লাহ্‌ (সা) কে একটি বিশেষ নির্দ্দেশ দেয়া হয়েছে, যা ওহী নাযিল হওয়ার সময় অবতীর্ণ আয়াতগুলি সম্পর্কিত। অনরুপ আয়াত দেখুন [ ২০: ১১৪ ] ও টিকা ২৬৩৯। সেখানে বলা হয়েছে, "আপনার প্রতি আল্লাহ্‌র ওহী সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে আপনি কোরাণ গ্রহণের ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করবেন না।" সূরা নং ৭৫ হচ্ছে প্রাথমিক অবতীর্ণ সূরাগুলির অন্যতম এবং এই আয়াতের নির্দ্দেশ পরের সূরার নির্দ্দেশ অপেক্ষা সামান্য ভিন্নতর। এই নির্দ্দেশ গুলির তাৎক্ষনিক অর্থ হচ্ছে যে এর মাধ্যমে রাসুলকে (সা) নির্দ্দেশ দান করা হয়েছে যে, প্রত্যাদেশকে মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে, যেনো তা তাঁর অন্তরে গভীর ভাবে প্রবেশ লাভ করে ও রেখাপাত করে। এ ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ কোরান সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্বয়ং আল্লাহ্‌। এবং সময়ের বৃহত্তর পরিসরে আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে। কোরাণকে আল্লাহ্‌ মানুষের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে সংগ্রহ করেছেন, সংরক্ষণ করেছেন এবং এর সামান্যতম অংশও হারিয়ে যেতে দেন নাই। আজ থেকে চৌদ্দশ বৎসর পূর্বে কোরাণ যা ছিলো চৌদ্দশত বৎসর পরেও কোরাণ সেই অবিকৃত অবস্থায় আছে যা অন্যান্য কিতাবের বা ধর্মগ্রন্থের বেলায় ঘটে নাই। এখানে কোরাণ অনুসরণ মানে চুপ করে জিব্রাইলের পাঠ শ্রবণ করা। পরবর্তী আয়াত সমূহে রাসুলকে বলা হয়েছে যে, অবতীর্ণ আয়াত সমূহের সঠিক মর্ম ও উপদেশসমূহ বুঝিয়ে দেয়ার দায়িত্ব সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌র। অর্থাৎ এর সার্বজনীন উপদেশ হচ্ছে আল্লাহ্‌র দেয়া মানসিক দক্ষতার তারতম্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকে কোরাণের বাণীর মর্ম হৃদয়ঙ্গম করতে পারবে। যদিও এই আয়াতটি রাসুলকে উদ্দেশ্য করে অবতীর্ণ হয়, তবুও এর আবেদন সার্বজনীন। আল্লাহ্‌র কালাম হৃদয়ঙ্গম করার জন্য অধৈর্য্য বা তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নাই। তাড়াহুড়োর মাধ্যমে এই বাণীকে হৃদয়ঙ্গম করা যায় না। কোরাণের বাণীকে প্রশান্ত হৃদয়ে গভীর অভিনিবেশ সহকারে, আন্তরিক মনোযোগের সাথে, হৃদয়ঙ্গম করার জন্য চেষ্টা করতে হবে, তবেই প্রত্যেকেই তার স্ব স্ব যোগ্যতা অনুযায়ী তা অনুধাবনে সক্ষম হবে। কারণ আল্লাহ্‌ সকলকে সমান মানসিক দক্ষতা প্রদান করেন নাই। সুতারাং আমাদের যে মন্দ প্রথা চালু আছে আমরা বিশাস করি যে, না বুঝে আরবীতে দ্রুত কোরাণ সমাপ্ত করলেই অশেষ সওয়াব লাভ করা যাবে তা সঠিক নয়।