Logo

খোঁজ করুন

পাঠক

অনলাইনে আছেন ৪ জন
আজকের পাঠক ২ জন
সর্বমোট পাঠক ১৪৩৯৭০ জন
সূরা পাঠ হয়েছে ১৩৫৪০৭ বার
+ - R Print

সূরা আহ্‌কাফ

ষষ্ঠবিংশতি পারা

সূরা আহ্‌কাফ বা ঘুর্ণায়মান বালুকাময় অঞ্চল - ৪৬

৩৫ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী
[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]


ভূমিকা : হা-মিম্‌ সিরিজের এটা হচ্ছে শেষ এবং সপ্তম সূরা। এর সময়কাল ও সাধারণ বিষয় বস্তুর জন্য দেখুন ৪০ নং সূরার ভূমিকা।

২১ নং আয়াতে আহ্‌কাফ [ Ahqaf ] শব্দটির উল্লেখ আছে। আহ্‌কাফ অর্থ হচ্ছে আকাঁবাকাঁ বিস্তীর্ণ বালিয়াড়ি বা বালির পাহাড় সমূহ। আ'দ জাতির আবাসস্থলের বৈশিষ্ট্য আহ্‌কাফ শব্দের সাহায্যে তুলে ধরা হয়েছে। স্থানটি হাদরামাউত এবং ইয়েমেনের সন্নিকটবর্তী : দেখুন [ ৭: ৬৫ ] আয়াত ও টিকা ১০৪০। তাদের দেশটি ছিলো উর্বর ভূমি। সম্ভবতঃ তা ছিলো তাদের উন্নত সেচপ্রণালীর ফল। কিন্তু কালের পরিক্রমায় তারা পাপে লিপ্ত হয়ে পড়ে ফলে তাদের উপরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পতিত হয় যার উল্লেখ আছে [ ৪৬ : ২৪-২৫] আয়াতে। এই সূরার উপদেশ হচ্ছে যদি কেউ সত্যকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আহ্বান করে তবে তার হঠকারীতার উপযুক্ত জবাব দেয়া হবে এবং সত্যের যর্থাততা প্রতিপন্ন হবে।

সার সংক্ষেপ : সমগ্র সৃষ্টির পিছনে স্রষ্টার নির্দ্দিষ্ট উদ্দেশ্য বিদ্যমান। সত্য এবং আল্লাহ্‌র প্রত্যাদেশ পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হবেই। যারা তার বিরোধিতা করবে তারা তাদের কৃতকর্মের দরুনই ধ্বংস হয়ে যাবে। মোমেন বান্দার বৈশিষ্ট্য হবে তার ধৈর্য্য এবং দৃঢ়তার সাথে অপেক্ষা করা। [ ৪৬ : ১-৩৫ ]।

সূরা আহ্‌কাফ বা ঘুর্ণায়মান বালুকাময় অঞ্চল - ৪৬

৩৫ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী
[ দয়াময়, পরম করুণাময় আল্লাহ্‌র নামে ]

০১। হা - মীম।

০২। এই কিতাবের প্রত্যাদেশ মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহ্‌র নিকট থেকে আগত ৪৭৭৫।

৪৭৭৫। এই আয়াতটি পূর্ববর্তী সূরার দ্বিতীয় আয়াতের অনুরূপ। কিন্তু দুইটি সূরার বিষয়বস্তুতে বিভিন্নতা আছে। ৪৫ নং সূরাতে বিবৃত করা হয়েছে যে, কিভাবে সত্য ও প্রত্যাদেশের প্রত্যাখানকারীরা শেষ পর্যন্ত নতজানু হয়ে বশ্যতা স্বীকার করে থাকে। শেষ পর্যন্ত তারা প্রত্যাদেশের সত্য ও ক্ষমতাকে অস্বীকার করতে পারে না। এই সূরাতে বিবৃত করা হয়েছে যে সত্য এবং প্রত্যাদেশ শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হবেই, তবে তার জন্য প্রয়োজন ধৈর্য্য এবং দৃঢ়তা। [ ৪৬ : ৩৫ ]।

০৩। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী এবং উহাদের মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুই আমি নির্দ্দিষ্ট লক্ষ্যে এবং নির্দ্দিষ্ট কালের জন্য সৃষ্টি করেছি ৪৭৭৬। কিন্তু যারা কাফের তারা, তাদের যে বিষয়ে সর্তক করা হয়েছে, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

৪৭৭৬। দেখুন [ ৪৫ : ২২ ] আয়াত। মানুষের সীমাবদ্ধ জ্ঞানে সৃষ্টির বহু জিনিষকে মনে হয় অপ্রয়োজনীয়,অদ্ভুদ ও ব্যাখ্যার অতীত। কিন্তু এই বিশাল বিশ্ব ভূবনের প্রতিটি জিনিষই স্রষ্টা এক নির্দ্দিষ্ট উদ্দেশ্যের প্রতি নিবেদিত করে সৃষ্টি করেছেন। আমরা আমাদের সীমাবদ্ধ জ্ঞানে তা উপলব্ধি করতে পারি বা না পারি কিন্তু স্রষ্টার নির্দ্দিষ্ট উদ্দেশ্য পরিপূর্ণতা লাভ করবেই। কারণ স্রষ্টার প্রতিটি সৃষ্টিই 'যথাযথ' এবং তা এক নির্দ্দিষ্ট কালের মেয়াদে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই আয়াতে এই কথাই বলা হয়েছে যে, পৃথিবীর কিছুই চিরস্থায়ী নয়। প্রতিটি জিনিষকেই এক নির্দ্দিষ্ট উদ্দেশ্যে এবং নির্দ্দিষ্ট কালের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। নির্দ্দিষ্ট সময় অন্তে প্রতিটি জিনিষ ধ্বংস হয়ে যাবে। পৃথিবীর নাট্যমঞ্চে জাতির উত্থান পতনও সেরূপ। নির্দ্দিষ্ট সময় অন্তে প্রত্যেকে প্রত্যেকের ভূমিকা শেষ করে চলে যায়। কোনও কিছুই এই পৃথিবীতে স্থায়ী নয়। চিরস্থায়ী শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র বাণী। জীবনের এই সত্যকে কাফেররা উপলব্ধি করতে অক্ষম হয়। ফলে তারা তাদের প্রতি প্রেরিত সর্তকবাণীকে উপেক্ষা করে।

০৪। বল : " আল্লাহ্‌র পরিবর্তে তোমরা যাদের আহ্বান কর তাদের কথা ভেবে দেখেছ কি ? ৪৭৭৭ পৃথিবীতে তারা কি সৃষ্টি করেছে আমাকে দেখাও অথবা আকাশমন্ডলীতে উহাদের কোন অংশীদারিত্ব আছে কি ? যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে ইহার পূবর্তন কোন কিতাব কিংবা [ ঐশী ] জ্ঞানের অবশিষ্টাংশ আমার নিকট নিয়ে এসো ৪৭৭৮।

৪৭৭৭। মানুষের স্বাভাবিক প্রবণতা হচ্ছে মিথ্যা উপাস্যের উপাসনা করা। এই মিথ্যা উপাস্য সর্বদা মূর্তি হতে হবে এমন কোনও কথা নাই। কখনও তা বীর পূঁজা, কখনও ব্যক্তিপূঁজা, কখনও পীর পূঁজা, কখনও তা কোন মতবাদের পূঁজা, কখনও পূর্বপুরুষদের সংস্কৃতির পূঁজা, কখনও বিজ্ঞানের জ্ঞানকে শ্রেষ্ঠ ধারণা করা, আবার কখনও নিজস্ব আত্মগরিমার লালন পালন ইত্যাদি বহুরূপে মানুষ আল্লাহ্‌র পরিবর্তে অন্য কিছুর উপাসনা করে থাকে। এই মানব সম্প্রদায়কেই এই আয়াতে সম্বোধন করে বলা হয়েছে যে, একবার স্থিরভাবে চিন্তা করে দেখ, এসব মিথ্যা উপাস্যেরা কি কোনও কিছু সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে ? অথবা আকাশমন্ডলী অথবা মানুষের আধ্যাত্মিক জগতে এসব মিথ্যা উপাস্যদের কোন অংশীদারিত্ব আছে কি ?

৪৭৭৮। আরও বলা হয়েছে যে এ সব লোকের কাছে কি পূর্ববর্তী কোনও প্রত্যাদেশ রয়েছে যার ফলে তারা বর্তমান প্রত্যাদেশকে অস্বীকার করছে ? তাদের আহ্বান করা হয়েছে তাদের জ্ঞানের সত্যতাকে প্রমাণিত করতে। অবশ্যই তারা তা পারবে না।

০৫। এবং তার থেকে বেশী বিভ্রান্ত আর কে আছে যে আল্লাহ্‌র পরিবর্তে এমন কিছুকে ডাকে যা শেষ বিচারের দিন পর্যন্ত সাড়া দিবে না ৪৭৭৯। বস্তুতঃ তারা তাদের ডাক সম্বন্ধে কোন খবরই রাখে না।

৪৭৭৯। আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কিছুর উপাসনার প্রকৃত পক্ষে কোনও যৌক্তিকতা নাই। কোনও জ্ঞান ও প্রজ্ঞাশীল লোক তা করতে পারে না। মূর্তিরূপ মিথ্যা উপাস্যগুলি নিষ্প্রাণ পাথরের স্তুপ মাত্র। তাদের কোনও কিছুতেই সাড়া দেয়ার ক্ষমতা নাই - কারণ তাদের কোনও বোধশক্তি নাই। শেষ বিচারের দিনে এসব উপাস্যরা উপাসনাকারীদের অস্বীকার করবে। অথবা যারা নিজস্ব কৃতিত্বে অহংকারে স্ফীত হয়ে আত্মপূঁজাতে নিমগ্ন হয়, শেষ বিচারের দিনে তাদের নিজস্ব মন, মেধা, কর্মকুশলতা এক কথায় বিভিন্ন চারিত্রিক দক্ষতা তাদের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দান করবে [ ৪১ : ২০ - ২৩ ]। যদি পৃথিবীতে কেউ মহৎ ব্যক্তিত্বের পূঁজা করে এমন কি নবী রসুলদেরও যেমন খৃষ্টানেরা যীশু খৃষ্টের পূঁজা করে, সে ক্ষেত্রেও শেষ বিচারের দিনে তারা তাদের পূঁজারীদের অস্বীকার করবেন [ ৫ : ১১৬ ]। সেরূপ কেউ যদি ফেরেশতাদের উপাসনা করে, তারাও সেদিন তা অস্বীকার করবে [ ৩৪ : ৪০- ৪১ ]। অর্থাৎ আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কিছুর উপরে নির্ভরশীলতা মানব জীবনের শেষ সাফল্য আনতে ব্যর্থ

০৬। [ পুরুত্থানের দিনে ] যখন মানব জাতিকে একত্র করা হবে, তখন, উহারা [ দেব-দেবীরা ] তাদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন হবে এবং তাদের পূঁজাকে [সম্পূর্ণ ] অস্বীকার করবে।

০৭। যখন আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ উহাদের নিকট আবৃত্তি করা হয়, সত্য তাদের নিকট উপস্থিত হলেও তারা বলে, " ইহা তো স্পষ্ট যাদু।" ৪৭৮০

৪৭৮০। পৃথিবীতে এ সব নির্বোধ কাফেরদের সম্মুখে যখন প্রকৃত সত্যকে উপস্থিত করা হয়,তারা তাকে 'যাদু' বলে আখ্যায়িত করে থাকে। দেখুন [ ২৭ : ১২ - ৪৫ ] ও টিকা ৪০৪২।

০৮। অথবা তারা কি বলে, " সে ইহা নকল করেছে ? " বল : " যদি আমি ইহা নিজে রচনা করে থাকি,তাহলে তোমরা তো আল্লাহ্‌র শাস্তি থেকে আমাকে কিছুতেই রক্ষা করতে পারবে না ৪৭৮১। তোমরা যে বিষয়ে আলোচনায় লিপ্ত আছ, সে সম্বন্ধে আল্লাহ্‌ সবিশেষ অবহিত। আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে তিনিই যথেষ্ট। এবং তিনি বারে বারে ক্ষমাশীল এবং পরম করুণাময়। "

৪৭৮১। ইবনে কাসীরের মতে এই আয়াতটির অর্থ হচ্ছে, যদি রসুলুল্লাহ্‌র [ সা ] নবুয়তের দাবী তাঁর নিজস্ব উদ্ভাবন হতো; তিনি যদি প্রকৃত আল্লাহ্‌র প্রেরিত রাসুল না হতেন ; তবে তাঁর এই মিথ্যা দাবীর জন্য চরম শাস্তি ভোগ করতে হতো। সেক্ষেত্রে আল্লাহ্‌র শাস্তি থেকে তাঁকে কেউই রক্ষা করতে পারতো না। এই আয়াতে 'সে' শব্দটি দ্বারা রাসুলুল্লাহকে [ সা ] বোঝানো হয়েছে।

০৯। বল : " আমি তো কোন অভিনব রসুল হয়ে আসি নাই ৪৭৮২। আমি তো জানি না যে, আমার সম্বন্ধে ও তোমাদের সম্বন্ধে কি করা হবে ? আমার প্রতি যে ওহী প্রেরণ করা হয়েছে, আমি শুধু তার-ই অনুসরণ করি। আমি তো একজন প্রকাশ্য এবং সুস্পষ্ট সর্তককারী মাত্র।

৪৭৮২। প্রকৃত পক্ষে রাসুলের [ সা ] শিক্ষাকে পর্যালোচনা করলে এই সত্যের সন্ধান মেলে যে প্রতিটি নবী রসুলের প্রচারিত সত্য এক ও অভিন্ন। তাঁরা সকলেই আল্লাহ্‌র একত্বের শিক্ষা দান করেছেন এবং সেই সাথে মানুষের প্রতি মানুষের কর্তব্য। এই আয়াতটির মাধ্যমে আল্লাহ্‌ রাসুলকে নির্দ্দেশ দান করেছেন বলতে যে, তাঁর প্রতি প্রেরিত প্রত্যাদেশ কোন মিথ্যা উদ্ভাবন নয়। তিনি কোন নূতন বার্তা বহন করে আনেন নাই। তাঁর নিকট প্রেরিত বার্তা হচ্ছে শ্বাসত সত্য যা যুগে যুগে প্রেরিত হয়েছে। যারা তা অস্বীকার করে তাদের শেষ পরিণতি আল্লাহ্‌র হাতে। রাসুলের দায়িত্ব হচ্ছে আল্লাহ্‌র প্রেরিত সত্যকে সঠিক ভাবে প্রচার করা।

১০। বল : " আচ্ছা,তোমরা কি ভেবে দেখেছ ? ৪৭৮৩ যদি ইহা [ কুর-আন ] আল্লাহ্‌র নিকট থেকে হয় ও তোমরা ইহাকে অমান্য কর, আর বনী ইসরাঈলের মধ্য থেকে একজন ইহার, [ পূর্ববর্তী কিতাবের ] সাথে সাদৃশ্য সম্বন্ধে সাক্ষ্য দেয়, এবং বিশ্বাস স্থাপন করে ৪৭৮৪, সেখানে তোমরা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করলে ; [তাহলে কতটা অন্যায়কারী তোমরা !]। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ অন্যায়কারীদের সুপথ প্রদর্শন করেন না।"

৪৭৮৩। এই আয়াতের মাধ্যমে মোশরেক আরবদের সাবধান করা হয়েছে, " হে মোশরেক আরব ! যদিও তোমরা অজ্ঞ জাতি, তবুও তোমরা মিথ্যা গর্বে স্ফীত হয়ে থাক। ইসরাঈলীদের মধ্যে অনেক লোক আছে যারা পূর্ববর্তী কিতাব সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল ; যারা জানে যে কোরাণ পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থকে সত্যায়িত করে মাত্র। তারা ইসলামকে হযরত মুসার নিকট প্রেরিত প্রত্যাদেশের ধারাবাহিকতার ও পরিপূর্ণতা বলে বিশ্বাস করে [দেখুন Deut. xviii . 18- 19 ]। তোমাদের বুঝার সুবিধার্থে কোরাণ আরবী ভাষাতে অবতীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তোমরা তা অস্বীকার কর। কি অন্যায় ও লজ্জ্বাজনক তোমাদের আচরণ। সেক্ষেত্রে কিভাবে তোমরা আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও পথ নির্দ্দেশ পেতে পার ? "

৪৭৮৪। সে সময়ে জ্ঞানী ইহুদী ও খৃষ্টান ব্যক্তিরা বুঝতে পেরেছিলেন যে, হযরত মুহম্মদ [ সা ] আল্লাহ্‌র প্রেরিত নবী এবং তাঁর প্রচারিত প্রত্যাদেশ পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থকে সত্যায়ন করে থাকে। সুতারাং তারা সানন্দে ইসলাম গ্রহণ করে থাকেন। অনেকে মনে করেন আয়াতটিতে বিশিষ্ট ইহুদী আলেম আবদুল্লা-ইবনে সালাম সর্ম্পকে বলা হয়েছে। ইবনে সালাম ইসলাম গ্রহণ করেন মদীনায় রসুলের মৃত্যুর দুবছর পূর্বে। কিন্তু আয়াতটি অবতীর্ণ হয় মক্কায়। ইবনে সালামের ইসলাম গ্রহণের সাথে আয়াতটিকে সর্ম্পকিত করতে হলে আয়াতটিকে ভবিষ্যত বাণী হিসেবে ধরতে হয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, জ্ঞানী ও প্রকৃত ধর্মে বিশ্বাসী ইহুদীরা হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছিলেন যে, রাসুলের নিকট প্রেরিত প্রত্যাদেশ তাদের ধর্মগ্রন্থের ধারাবাহিকতা মাত্র।